হযরত ইব্রাহিম (আ.) ইসমাইল (আ.)-কে নয়, ইসহাক (আ.)-কে কোরবানি করতে নিয়ে গিয়েছিলেন? আসুন দেখি কোরআন ও বাইবেল কি বলে।

আজ সকালে ফেসবুকে কোন এক বন্ধুর শেয়ার করা লিংক থেকে জানতে পারি,
মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ.) ইসমাইল (আ.)-কে নয়, ইসহাক (আ.)-কে কোরবানি করতে নিয়ে গিয়েছিলেন দাবি করে এর সঠিক ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেছেন বিশ্ব শান্তি পরিষদের প্রেসিডেন্ট দেব নারায়ণ মহেশ্বর।
লিংক : কোরবানি নিয়ে কোরআনের শুদ্ধতা দাবি করে রিট

তখন থেকেই নেটে একটু ঘাটাঘাটি করি আসল বিষয়টি কি তা জানার জন্য।
বিস্তারিত পড়ুন

Tagged , , , , , , , ,

কিভাবে প্রমাণ করা যেতে পারে এই কোরআন আল্লাহর কাছ থেকে আসা ?

১. কোরআন বলে আমি আল্লাহর কাছে থেকে এসেছি।
এ কিতাবের অবতরণ বিশ্বপালনকর্তার নিকট থেকে এতে কোন সন্দেহ নেই। (সূরা সেজদাহ ,আয়াত ২)

২. আল্লাহর চ্যালেঞ্জ।
বলুনঃ যদি মানব ও জ্বিন এই কোরআনের অনুরূপ রচনা করে আনয়নের জন্যে জড়ো হয়, এবং তারা পরস্পরের সাহায্যকারী হয়; তবুও তারা কখনও এর অনুরূপ রচনা করে আনতে পারবে না। (সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত ৮৮)
তারা কি বলে? কোরআন তুমি তৈরী করেছ? তুমি বল, তবে তোমরাও অনুরূপ দশটি সূরা তৈরী করে নিয়ে আস এবং আল্লাহ ছাড়া যাকে পার ডেকে নাও, যদি তোমাদের কথা সত্য হয়ে থাকে। (সূরা হুদ , আয়াত ১৩)
এতদসম্পর্কে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এস। তোমাদের সেসব সাহায্যকারীদেরকে সঙ্গে নাও-এক আল্লাহকে ছাড়া, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো। (সূরা আল বাকারা, আয়াত ২৩)
আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরা কখনও পারবে না, তাহলে সে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য। (সূরা আল বাকারা, আয়াত ২৪)

বিস্তারিত পড়ুন

Tagged , , , , ,

পবিত্র কোরআনের একটি অসাধারণ সাইট।

আলহামদুলিল্লাহ, দিন দিন মানুষের কোরআনের গবেষনা কোরআনের প্রচার প্রসার নিয়ে সবার মাঝে যে আগ্রহ দেখে যাচ্ছে তা সত্যিই সাধুবাদ যোগ্য। আজ অনলাইনে ঘুরতে ঘুরতে পেলাম একটি অসাধারণ কোরআনের ওয়েবসাইটের সন্ধান যেখানে রয়েছে :

  • পবিত্র কোরআনের অনুবাদ বহু ভাষায়। আর খুবই আনন্দিত হয়েছে বাংলাতে অনুবাদ দেখে।
  • কোরআনের প্রতিটি আয়াত হরকত (যের যবর পেস) সহ লেখা, ছবি এর টেক্স আকারে রয়েছে।
  • প্রতিটি সুরার অডিও।
  • তাফসির আল জালালাইন ইংরেজী ও আরবিতে।
  • ইংরেজী অনুবাদ রয়েছে কয়েকজন অনুবাদকের।

সাইটের নাম হচ্ছে কোরআন ডট কম
অসংখ্য ধন্যবাদ এ সাইটের এডমিন ও যাদের সহযোগিতায় এত কোরআন প্রচারের এ মহান কাজ হচ্ছে তাদের সবাইকে।

আল্লাহ তাদের সবাইকে দ্বীনের খেদমতে কবুল করুক । আমিন।

Tagged , , , , , , ,

অনলাইনে কোরআন শুনুন বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ সহ।


মহাগ্রন্থ আল কোরআনের অনুবাদ পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ভাষায়, কোরআন নিয়ে পৃথিবীর অসংখ্য লোকেরা গবেষনা করছে। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে আমরা যখন দিনের বেশির ভাগ সময় অনলাইনে কাটিয়ে তখন ইচ্ছা করলেও কোরআনের মুদ্রিত কপি নিয়ে বসার টাইম পাই না। অনলাইনে কোরআনের অনুবাদ সহ শুনার একটি মহান সুযোগ করে দিয়েছে listen2quran.com

এই সাইটে রয়েছে তিন ধরনের কোরআন তেলাওয়াত। ক. Saad Al Ghamdi, খ. Ahmad Al Ajmay গ. As Shatry
৫০টির ও বেশী ভাষায় অনুবাদ।
আসুন, কোরআন পড়ি, কোরআন শুনি, কোরআন বুঝি, কোরআন অনুসারে জীবন গড়ি।
ওয়েব সাইট : listen2quran.com

Tagged , , , ,

ফ্যশনের কথা বাদ দাও, ঢেকে চলাতেই মুক্তি।


লেখক : 55muslim

এমনকি অমুসলিম মেয়েদেরও পর্দা করা উচিত…..মুসলিমদের নিকাব ফ্রান্সে একটা গরম রাজনৈতিক বিতর্কের রূপ নিয়েছে – কিন্তু স্টেলা হোয়াইট বুঝতে পারেন না এ নিয়ে এত কথা বলার কি আছে? ইংলন্ডের কেন্টে বসবাসকারী এই ক্যাথলিক ক্রিশ্চিয়ান সম্পূর্ণ ঢেকে চলার আনন্দ ব্যাখ্যা করেন:

অবমুক্ত পশ্চিমাদের কাছে হিজাব অথবা নিকাব হচ্ছে নারীত্বের উপর আরোপিত এক কলঙ্ক। এটা হচ্ছে নারীসত্ত্বাকে পিষে মারার এবং দাসত্বের শৃঙ্খলে শৃঙ্খলিত করার একটা প্রতীক – যা কিনা নারীকে এমন এক নিষ্ক্রিয় মাংসপিন্ডে পরিণত করে, যাকে কেবল তার স্বামীর জন্য খাবার কিনতে বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। ইংরেজ নারীরা যখন এরকম সব-ঢেকে-চলা কোন নারীর মুখোমুখি হন, তখন তারা তার দিকে এক করুণা ও দুঃখের দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখেন। তাদের জন্য নিকাব হচ্ছে এক জীবিত মরণ। ফ্রেঞ্চ কর্তৃপক্ষ, যারা স্কুলসমূহে হিজাব নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাদের দৃষ্টিভঙ্গীটাও হয়তো এরকমই যে: স্বল্পবয়সী কোন মেয়েকেই যেন তার তারুণ্যের মাথায় অবদমনের এই বোঝা বয়ে বেড়াতে না হয়।

তথাপি আমি সহ অনেকের কাছেই নিকাবটা বলপ্রয়োগের কোন অস্ত্র নয়, বরং একটা মুক্তির উপায়। ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনোই এত স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করিনি, যা আমি নিজেকে সম্পূর্ণ ঢেকে রাখলে বোধ করি। “আমি এমন একটা সংস্কৃতি/কৃষ্টির প্রোপাগান্ডা করছি, যা আমার মগজ ধোলাই করেছে” – আপনারা এমন একটা অনুমান করার আগেই আমি বলে নিচ্ছি যে, আমি মুসলিম নই বরং একজন ক্যাথলিক। আমি রহস্য-ঘেরা প্রাচ্য থেকে আসিনি বরং আমি নীরস কেন্টের অধিবাসী, ৩২ বছর বয়স্কা একজন নারী। আমি জবুথবু কোন সেকেলে নারী নই, বরং আমার অনেকগুলো আধুনিক গুণের ভিতর উল্লেখযোগ্য হচ্ছে যে, আমি একজন নৃত্যশিল্পী ও চটকদার মডেলও। আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের তিনজন হচ্ছে ”স্ট্রিপার”। মুসলিম পুরুষদের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল, কিন্তু তাদের কেউই কখনো আমাকে হিজাব পরতে বলেনি। সত্যি বলতে কি তারা আমার এই আচরণে বিব্রত বোধ করেছে। আমার অতীত জীবনে এমন কেউ নেই, যে আমাকে নিকাব পরতে বাধ্য করেছে। আমি ঢেকে চলি, কেননা, আমি তা খুবই পছন্দ করি। আমার এবং বাইরের কোলাহলপূর্ণ পৃথিবীর মাঝখানে একটা দেয়াল সৃষ্টি করে হিজাব আমাকে যে প্রাইভেসীটুকু দেয়, আমি তা খুবই উপভোগ করি, বিশেষত লন্ডনে। নিকাবের আড়ালে আমি খুবই শান্তি অনুভব করি। একদিকে উৎসুক পথচারীদের দৃষ্টির তীর আমি যেমন অনুভব করি না, আবার অন্যদিকে ট্রাফিক, শব্দ এবং ভিড় আমার কাছে কম বিরক্তিকর মনে হয়। এমনকি হাঁটতে হাঁটতেও আমি নিজের নিরাপদ জগতে নিজেকে গুটিয়ে নিতে পারি। আর বাস্তবে যেটা হয়, কেউ অযাচিতভাবে আমার গায়ে পড়ে কথা বলবে – এরকম অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে আমি সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকি।
বিস্তারিত পড়ুন…

Tagged , , , , ,

আসুন একটু চিন্তা করি

লেখক : মাওলানা কলীম সিদ্দীকী

একটা সময় ছিল যখন অমুসলিমরা মুসলমানের বাস্তব জীবন থেকে ইসলাম সম্পর্কে ধারণা লাভের চেষ্টা করত। মুসলমানদের আচার-আচরণ, লেনদেন, চরিত্র ও নৈতিকতা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করত। কিন্তু এখন অবস্থা বদলে গেছে। মিডিয়া ও প্রচারের নতুন নতুন মাধ্যম উদ্ভাবিত হওয়ার পর বিশেষত বিশ্ব যখন ইন্টারনেটের যুগে প্রবেশ করেছে তখন ইসলাম সম্পর্কে জানা আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। এখন ইসলামের সঠিক রূপটি অমুসলিমদের অন্দরমহল পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। সারা পৃথিবীতে দলে দলে মানুষ আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করছে। আর তা বিশেষভাবে লক্ষ করা যাচ্ছে ইসলাম বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র ও প্রপাগাণ্ডার মূল কেন্দ্র-পাশ্চাত্যের অমুসলিম সমাজে। একই কথা ভারতের ক্ষেত্রেও বলা যায়। এই ভূখণ্ড এক সময় ছিল ইশকে ইলাহী ও আধ্যাত্মিক সাধনার উর্বর ভূমি এবং তা এমন সব কীর্তিমান ব্যক্তিত্বের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের ধারক, যারা ইসলামের জন্য সব ধরনের ত্যাগ ও কুরবানী স্বীকার করেছেন। সামান্য অনুসন্ধানী দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে যে, ভারতীয় নও-মুসলিমদের সংখ্যাও কম নয়।

বর্তমান এই বৈশ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে চিন্তা করলে তিনটি আশ্চর্য বিষয় আমাদের সামনে উঠে আসে :
বিস্তারিত পড়ুন

Tagged , , , , ,

মুসলমানদের দুর্ভাগ্য ও একটি দৃষ্টিভঙ্গি

লেখক : মাওলানা মুহাম্মাদ যাকারিয়া আব্দুল্লাহ

অবসর সময়ে যে আলোচনাগুলো মুখরোচক হয়ে ওঠে তন্মধ্যে একটি হচ্ছে জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলমানদের অনগ্রসরতা। প্রায়শ কথাটা এভাবে বলা হয় যে, ‘জ্ঞান-বিজ্ঞানে অনগ্রসর বলেই মুসলমানদের এই দুর্গতি।’

এটা ঠিক যে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পাশ্চাত্যের তুলনায় প্রাচ্য পিছিয়ে রয়েছে। তবে এটাও ঠিক যে, সেই অনগ্রসরতাই এ জাতির দুর্গতি ও পরাধীনতার কারণ নয়। প্রকৃতপক্ষে সমস্যা অন্য জায়গায়। মুসলিম উম্মাহর মাঝে কিছু বৈশিষ্ট্যের জাগরণ সম্ভব হলে বিদ্যমান জ্ঞান ও প্রযুক্তিই তাদের জাতীয় প্রয়োজন পূরণ করতে পারে। তাই মুসলমানদের পরাধীনতার প্রসঙ্গে জ্ঞান-বিজ্ঞানে অনগ্রসরতার প্রশ্ন অবান-র; বরং তা মূল সমস্যা থেকে দৃষ্টিকে সরিয়ে দেয়, উপরন’ কিছু আত্মঘাতী বিভ্রানি- সৃষ্টি করে।

এ প্রসঙ্গে দু’টি বিষয়ে চিন্তা করা যায়। এক. আধুনিক শিক্ষাব্যবন্থায় মুসলমানদের অংশগ্রহণ দুই. আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলমানদের পারদর্শিতা। আমাদের দেশের কথাই ধরুন। এটি একটি মুসলিম দেশ এবং এদেশের ৮০ শতাংশেরও বেশি মানুষ মুসলিম। তবে আধুনিক শিক্ষা-ব্যবস্থাই এদেশের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রাপ্ত শিক্ষার মূলধারা। অতএব দেশের সিংহভাগ শিক্ষার্থী আধুনিক শিক্ষা-ব্যবস্থায় শিক্ষাগ্রহণ করছে। এটি শুধু বাংলাদেশের কথা নয়, সকল মুসলিম দেশে আধুনিক শিক্ষা-ব্যবস্থা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রাপ্ত। তদ্রূপ যেসব দেশে মুসলিমরা সংখ্যালঘু সেখানকার পরিসংখ্যান গ্রহণ করলেও একই চিত্র পাওয়া যাবে। সেসব দেশের অভিবাসী মুসলিম অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্থানীয় শিক্ষা ধারার সঙ্গেই জড়িত এবং বলা বাহুল্য তা আধুনিক শিক্ষা। তাহলে কীভাবে বলা যায় যে, মুসলিম-সমাজে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা নেই? কোনো শিক্ষিত মুসলমান যখন এমন কথা উচ্চারণ করেন তখন একটি মারাত্মক আশঙ্কা উঁকি দেয় যে, তাহলে কি মুসলমান অবচেতন মনে নিজের পরিচয়ও ভুলতে বসেছে? তারা কি শুধু মসজিদ-মাদরাসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরই মুসলমান বলে ভাবতে শুরু করেছেন? বাকিটুকু পড়ুন…

Tagged , , ,